সৌদি সরকার প্রতি বছরই বিভিন্ন দেশ থেকে কোম্পানি ভিসার মাধ্যমে প্রচুর সংখ্যক বিদেশি কর্মী নিয়োগ করে। মধ্যপ্রাচ্যের এই আরব দেশে ছোট-বড় অনেক ধরনের কোম্পানি রয়েছে। যারা কোম্পানি ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে কাজ করতে আগ্রহী, তাদের জন্য সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা বেতন কত তা জেনে রাখা জরুরি।
বাংলাদেশ থেকে সরকারি বা বেসরকারি উভয়ভাবেই এই কোম্পানি ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে যাওয়া যায়। সৌদির বিভিন্ন কোম্পানিতে একজন শ্রমিক হিসেবে কাজ করার ভালো সুযোগ থাকে এবং এই ভিসায় সাধারণত সুযোগ-সুবিধাও বেশি পাওয়া যায়।
তাই, বাংলাদেশ থেকে যারা কাজের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যেতে চান, তাদের অবশ্যই সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা বেতন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। এছাড়া, সৌদি আরব কোম্পানি ভিসা পাওয়ার নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং মোট খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা অত্যন্ত দরকার।
সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা বেতন কত ২০২৬
সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসার বেতন মূলত বেশ কিছু বিষয়ের ওপর নির্ভর করে ভিন্ন হয়, যেমন কাজের ধরন, কর্মীর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং ওভারটাইম।
বাংলাদেশ থেকে যারা কোম্পানি ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে যেতে আগ্রহী, তাদের অবশ্যই সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা বেতন কত সেই বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা রাখা উচিত। বর্তমানে কাজের ধরন অনুযায়ী এই বেতন প্রায় ৩০ হাজার টাকা থেকে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
সাধারণভাবে বলতে গেলে, সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসার বেতন কত হবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ, বেতন নির্ভর করে আপনি কী কাজ করছেন, কোথায় কাজ করছেন এবং যে কোম্পানিতে কাজ করছেন তার মান কেমন এই সবকিছুর ওপর।
সৌদি আরবে শ্রমিক শ্রেণির পেশার মধ্যে সাধারণত নির্মাণ শ্রমিক, ড্রাইভার, ওয়েল্ডার, ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, ফোরম্যান, অপারেটর ইত্যাদি পেশায় তুলনামূলকভাবে বেশি বেতন দেখা যায়।
সাধারণত, আনস্কিলড বা কম দক্ষ শ্রমিকদের বেতন গড়ে ৮০০ থেকে ১৫০০ রিয়ালের মধ্যে শুরু হয়। তবে, দক্ষ শ্রমিক যেমন ইলেকট্রিশিয়ান, মেশিন অপারেটর, ড্রাইভার, কার্পেন্টার, সেলসম্যান ইত্যাদি পদে ১২০০ থেকে ২৫০০ রিয়াল পর্যন্ত বেতন পাওয়া সম্ভব। আবার, যারা উচ্চ অভিজ্ঞতা বা ভালো সার্টিফিকেটধারী, তারা ৩০০০ থেকে ৫০০০ রিয়াল পর্যন্তও আয় করতে পারেন।
এছাড়াও, সৌদি আরবে কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অতিরিক্ত ওভারটাইমের সুযোগ। অনেক কর্মীই মাস শেষে তাদের মূল বেতনের চেয়েও বেশি টাকা ওভারটাইম করে আয় করেন।
সুতরাং, সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসার বেতন কত এই বিষয়টি মূলত নির্ভর করছে আপনি কোন সেক্টরে কাজ করতে যাচ্ছেন, প্রতিদিন কত ঘণ্টা কাজ করছেন, এবং যে কোম্পানিতে কাজ করছেন সেখানে কী কী সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে তার ওপর।
আরো দেখুনঃ দক্ষিণ কোরিয়া বেতন কত? দক্ষিণ কোরিয়া যেতে কত টাকা খরচ হয়
সৌদি আরবের কোম্পানিতে শ্রমিকদের বেতন কত
বর্তমানে সৌদি আরবের বিভিন্ন কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে চাকরি পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ, কারণ শ্রমিক শ্রেণির কাজের জন্য কোম্পানি ভিসার আবেদন করলে সহজে ভিসা পাওয়া যায়।
বর্তমানে সৌদি আরবের কোম্পানিতে কর্মরত একজন শ্রমিকের সর্বনিম্ন বেতন প্রায় ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
তবে, যদি কাজের দক্ষতা ভালো থাকে, তবে বেতন আরও বেশি হয়। সৌদি আরবের কোম্পানিতে অভিজ্ঞ শ্রমিকদের সাধারণত ন্যূনতম প্রায় ৮০ হাজার টাকা থেকে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন প্রদান করা হয়ে থাকে।
সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা কোন কাজে বেতন বেশি
সৌদি আরবের অর্থনীতি মূলত নির্মাণ, তেল ও গ্যাস, সেবা, পরিবহন, স্বাস্থ্য, ব্যবসা এবং উৎপাদন শিল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এই কারণে, উল্লিখিত সেক্টরগুলিতে কোম্পানি ভিসার চাহিদা এবং কর্মীদের বেতনও তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। সাধারণত, নিচে দেওয়া কাজগুলোতে বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দেখা যায়:
- বিল্ডিং কন্ট্রাকশন
- ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল টেকনিশিয়ান
- ড্রাইভিং
- ওয়েল্ডিং ও ফ্যাব্রিকেশন
- প্লাম্বিং
- হোটেল ও রেস্টুরেন্ট স্টাফ
- সেলস ও কাস্টমার সার্ভিস
- গুদাম কর্মী ও লজিস্টিক
এই পদগুলোতে কোম্পানি সাধারণত বাসা, পরিবহন, চিকিৎসা এবং খাবারের সুবিধা দিয়ে থাকে। তবে, যেসব কোম্পানি এই সুবিধাগুলো প্রদান করে না, তাদের বেতনের অঙ্ক তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ড্রাইভার, ফোরম্যান বা ওয়েল্ডার পদে ২০০০ থেকে ৪৫০০ রিয়াল পর্যন্ত বেতন বেশ পরিচিত।
স্কিলড বা দক্ষ পেশাগুলোতে বেতন বেশি হওয়ার প্রধান কারণ হলো এই কাজগুলোর জন্য বিশেষ জ্ঞান, প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়। তাই, যদি কেউ উচ্চ বেতন পেতে চান, তাহলে সৌদি আরবে যাওয়ার আগে একটি ট্রেড ট্রেনিং সম্পন্ন করা অত্যন্ত উপকারী। এটি কেবল বেতনই বাড়ায় না, বরং কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা কত টাকা
সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসার চাহিদা বর্তমানে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই উচ্চ চাহিদার মূল কারণ হলো এই ভিসার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ধরনের সুবিধা, যার মধ্যে অন্যতম হলো—শোনা যায় কোম্পানি ভিসা নিয়ে যেকোনো ধরনের কাজ করার সুযোগ থাকে, যা এটিকে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
কোম্পানি ভিসার সুবিধা বেশি হওয়ার কারণেই এর প্রতি মানুষের এত আগ্রহ। তবে, সৌদি আরবে পৌঁছানোর জন্য মাধ্যম বা এজেন্টের ওপর ভিত্তি করে এই ভিসার খরচ পরিবর্তিত হতে পারে।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কোম্পানি ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে যেতে সাধারণত ৪ লাখ টাকা থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। এই ভিসা নিয়ে সরকারি এবং বেসরকারি উভয় মাধ্যমেই যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। যদি সরকারিভাবে কোম্পানি ভিসাতে যাওয়ার সুযোগ মেলে, তবে খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কম হয়।
অন্যদিকে, বেসরকারিভাবে বা কোনো এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করলে খরচ সাধারণত বেশি হয়। যদি কোনো পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়, তবে খরচ কিছুটা সাশ্রয় করা সম্ভব হতে পারে। সুযোগ পেলে সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো মাধ্যমেই এই ভিসা নিয়ে যাওয়া যেতে পারে।
সৌদি কোম্পানি ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
সৌদি আরবে কোম্পানি ভিসায় যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা তুলনামূলকভাবে সহজ, তবে তা সঠিকভাবে গুছিয়ে না রাখলে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এই ভিসার জন্য সাধারণত নিচের দলিলগুলো দরকার হয়:
- কমপক্ষে ২ বছরের মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট
- শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (যদি প্রয়োজন হয়)
- ট্রেনিং সার্টিফিকেট (দক্ষ পেশার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ)
- মেডিক্যাল রিপোর্ট (গ্যামকা অনুমোদিত)
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজন)
- পরিচয় ও নাগরিক তথ্য
- কোম্পানির চাকরি অনুমোদন কাগজ
- ভিসা স্টিকারসহ পাসপোর্ট
নির্দিষ্ট দক্ষতা বা ট্রেড লাইসেন্স আছে এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সৌদি আরবে চাকরি পাওয়ার সুযোগ এবং বেতন কাঠামো উভয়ই বেশি থাকে। এই কারণে, সৌদি আরবে চাকরির পরিকল্পনা করার আগে নিজের জন্য একটি পেশা নির্বাচন করে সেই বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা পাওয়ার উপায়
সৌদি আরবে একজন কোম্পানি শ্রমিক হিসেবে আপনি বিভিন্ন ধরনের কাজে যুক্ত হতে পারবেন, যেমন: ক্লিনার, কনস্ট্রাকশন, প্রোডাকশন, মেশিন অপারেটর, ড্রাইভিং, ইলেকট্রনিক ইত্যাদি।
সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা পেতে হলে প্রথমে কেএসএ (KSA) ভিসা ওয়েবসাইটে যেতে হবে এবং সেখানে ‘ওয়ার্ক পারমিট ভিসা’ ক্যাটাগরি নির্বাচন করে আবেদন করতে হয়। আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র এবং ভিসা ফি অনলাইনে জমা দিতে হয়।
সরকারিভাবে যেতে চাইলে বোয়েসেলের (BOESL) মাধ্যমে কোম্পানি ভিসা প্রসেসিং করে সৌদি আরবে যাওয়া সম্ভব। এর জন্য বোয়েসেলের ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিয়মিত সার্কুলার প্রকাশ হওয়ার জন্য নজর রাখতে হয়।
এ ছাড়া, কেউ চাইলে বিশ্বস্ত কোনো এজেন্সি, পরিচিত ব্যক্তি বা দালালের মাধ্যমেও কোম্পানি ভিসা প্রসেসিং করতে পারে। আবার, সৌদি আরবের দূতাবাসে গিয়ে নিজে নিজেও যেকোনো ধরনের ভিসা প্রসেসিং সম্পন্ন করা সম্ভব।
সৌদি আরবের কোন কোম্পানির ভিসা ভালো
সৌদি আরবে বিভিন্ন ধরনের কোম্পানি রয়েছে এবং আমার দেশ থেকে যারা সেখানে কাজ করতে যেতে চান, তারা বিভিন্ন কোম্পানির ভিসা পেতে পারেন। সাধারণভাবে, সৌদি আরবের বেশিরভাগ কোম্পানিই ভালো এবং তারা তাদের কর্মীদের ভালো বেতন দিয়ে থাকে।
তবে, সৌদি আরবের ঠিক কোন কোম্পানিটি সবচেয়ে ভালো তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। আমরা এমন কিছু কোম্পানি সম্পর্কে জানি যেখানে কর্মীদের ভালো ও বেশি বেতন দেওয়া হয়। এই কোম্পানিগুলোতে সাধারণত কাজে ঝুঁকি কম থাকে এবং উপার্জনও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- কোম্পানির ক্লিনার ভিসা।
- কোম্পানি আওতাধীন সুপার মার্কেট ভিসা।
- সৌদি কোম্পানি ভিসা।
- ড্রাইভিং ভিসা।
- হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ভিসা।
সৌদি কোম্পানি ভিসার সাথে যেসব সুবিধা থাকে
সৌদি আরবে কোম্পানি ভিসায় চাকরির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বেতনই প্রদান করা হয় না, এর সঙ্গে বেশ কিছু অতিরিক্ত সুবিধাও দেওয়া হয়। এই সুবিধাগুলো সাধারণত চাকরির চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে, যদিও কোম্পানি ও কাজের সেক্টরভেদে এগুলোতে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। সুবিধাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ
- বিনামূল্যে বাসস্থান
- বিনামূল্যে কর্মস্থলে যাতায়াত
- ফ্রি মেডিক্যাল কার্ড
- ওভারটাইম কাজের সুযোগ
- বার্ষিক ছুটি
- দুদিকের বিমান টিকিট
- গ্র্যাচুইটি সুবিধা
- প্রতি দুই বছরে ছুটির ভাতা
গণনা করলে দেখা যায়, অনেকে মাস শেষে কেবল বেতন থেকেই নয়, বরং ওভারটাইম, বোনাস এবং অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আয় করতে পারেন। সৌদি আরবে সাধারণত সরকারিভাবে ন্যূনতম বেতন নির্ধারণ করা নেই, তবে কোম্পানিগুলো বহিরাগত শ্রমিক নিয়োগের সময় নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ করে।
সুতরাং, সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসার বেতন কততা হিসাব করার সময় কেবল মূল বেতনের ওপর নির্ভর না করে, বরং এর সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত সুবিধা ও সুযোগগুলোও বিবেচনায় নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
কোম্পানি ভিসা পেতে কত দিন সময় লাগে?
কোম্পানির ভিসা পেতে সাধারণত এক থেকে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে ভিসা পাওয়ার এই সময়সীমাটি সংশ্লিষ্ট কোম্পানির অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রের সঠিকতা ও প্রস্তুতির ওপর ভিত্তি করে কিছুটা কম বা বেশিও হতে পারে।
আমি কিভাবে একটি ভালো কোম্পানি খুঁজে পাব?
ভালো কোম্পানি খুঁজে বের করার জন্য আপনি অনলাইন জব পোর্টাল, রিক্রুটিং এজেন্সি এবং পরিচিতদের সাহায্য নিতে পারেন। তবে যেকোনো কোম্পানিতে আবেদন করার আগে সেই কোম্পানি সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজখবর নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা কি নবায়ন করা যায়?
হ্যাঁ, আপনার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও সেটি নবায়ন করার সুযোগ রয়েছে। তবে এর জন্য আপনাকে অবশ্যই আপনার কোম্পানি এবং সৌদি সরকারের নির্ধারিত নিয়মকানুন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
সৌদি আরবের কোম্পানিগুলোতে কি কর্মীদের আবাসন সুবিধা আছে?
কর্মচারীদের জন্য অনেক কোম্পানিই আবাসন সুবিধা প্রদান করে থাকে। এই সুবিধাটি আপনার কাজের চুক্তিপত্রে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়।
লেখকের শেষকথা
পরিশেষে বলা যায়, সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসার বেতন নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। এটি মূলত আপনার যোগ্যতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, কোম্পানির মানদণ্ড, চুক্তির ধরন, এবং কাজের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে।
সাধারণত, একজন শ্রমিক থেকে শুরু করে টেকনিশিয়ান পর্যন্ত কর্মীরা মাসিক ৮০০ থেকে ৫০০০ রিয়াল পর্যন্ত আয় করতে পারেন। তবে, ওভারটাইমের সুযোগ থাকলে মাস শেষে মোট আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
