আর্মেনিয়া পশ্চিম উত্তর এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। আর্মেনিয়া বেতন কত হবে তা সাধারণত কাজের ধরন এবং লোকেশনের উপর ভিত্তি করে কম বেশি হয়ে থাকে। সাধারণত ইংরেজি বা আর্মেনিয়ান ভাষায় দক্ষতা থাকলে অতি দ্রুত এবং অল্প সময়ের মধ্যে আর্মেনিয়া বেশি বেতনের চাকরি পাওয়া যায়।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর তুলনায় উন্নত জীবনযাত্রার কারণে ২০২৬ সালে অনেক প্রবাসীই এখন আর্মেনিয়াকে তাদের গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু স্বপ্ন দেখার আগে বাস্তবতাকে জানাও জরুরি। ২০২৬ সালে আর্মেনিয়ায় কাজের বাজার কেমন?
সেখানে একজন সাধারণ কর্মীর ন্যূনতম বেতন কত? আর বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার মোট খরচই বা কত হবে? আজকের এই ব্লগে আমরা আর্মেনিয়া বেতন কত ও যেতে কত টাকা খরচ হয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব, যাতে আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
আর্মেনিয়া বেতন কত ২০২৬
আর্মেনিয়াতে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ রয়েছে। সেখানে বেতনের পরিমাণ সাধারণত কাজের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে কম বা বেশি হয়।
আর্মেনিয়াতে একজন দক্ষ শ্রমিক তাঁর কাজের ধরন অনুযায়ী, অদক্ষ শ্রমিকের তুলনায় সর্বনিম্ন প্রায় ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বেতন পেতে পারেন।
এছাড়াও, যদি একই কাজ করার অভিজ্ঞতা ১০ বছরের অধিক হয়, তবে কাজের ধরন অনুসারে ন্যূনতম প্রায় ২০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত বেতন দেওয়া হয়ে থাকে।
১. আর্মেনিয়ায় অফিস ম্যানেজারের বেতন কত?
আর্মেনিয়াতে একজন অফিস ম্যানেজারের গড় মাসিক বেতন সাধারণত ৪৫ হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকার মধ্যে থাকে। তবে, অভিজ্ঞতা এবং যে কোম্পানিতে কাজ করছেন তার আকারের ওপর ভিত্তি করে এই বেতন আরও বাড়তে পারে।
বিশেষত ইয়েরেভানের মতো শহরগুলিতে বেতন তুলনামূলকভাবে বেশি হয়, কারণ সেখানে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো অফিস ম্যানেজারদের জন্য ভালো পারিশ্রমিকের প্যাকেজ দিয়ে থাকে।
২. আর্মেনিয়া ড্রাইভিং ভিসা বেতন কত?
আর্মেনিয়াতে ড্রাইভারদের মাসিক বেতন সাধারণত ১৮ হাজার থেকে ২১ হাজার টাকার মধ্যে থাকে। তবে, যদি কেউ অভিজ্ঞ ড্রাইভার হন অথবা আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট থাকে, তবে তাদের বেতন ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়াও, ট্যাক্সি বা ডেলিভারি সার্ভিসে কাজের ক্ষেত্রে ওভারটাইম কাজ করার সুযোগও পাওয়া যায়।
৩. আর্মেনিয়া শ্রমিকের বেতন কত?
আর্মেনিয়াতে অদক্ষ শ্রমিকদের বেতন সাধারণত ১৫ হাজার টাকা থেকে ২১ হাজার টাকার মধ্যে থাকে। অপরদিকে, ইলেকট্রিশিয়ান বা নির্মাণ শ্রমিকদের মতো দক্ষ শ্রমিকেরা ৩০ হাজার টাকা থেকে ৪৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারেন। ওভারটাইম কাজ করলে বেতন আরও বৃদ্ধি পায়।
আর্মেনিয়া সর্বনিম্ন বেতন কত
আর্মেনিয়াতে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া সাধারণ কাজের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বেতন প্রায় ৩০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে থাকে।
অন্যদিকে, শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন কাজের জন্য সর্বনিম্ন বেতন প্রায় ৮০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
এছাড়াও, আর্মেনিয়াতে পার্ট টাইম কাজের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ প্রায় ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
আর্মেনিয়া কোন কাজের বেতন কত
আর্মেনিয়াতে কাজের ক্ষেত্রে বেতনের পরিমাণ কত হবে, তা মূলত শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে এই দুই ধরনের কাজের ওপর নির্ভর করে কম-বেশি হয়ে থাকে। যেমন:
শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া সাধারণ কাজের ক্ষেত্রে বেতন:
- আর্মেনিয়াতে রেস্টুরেন্ট এবং হোটেলে কাজের জন্য ন্যূনতম বেতন প্রায় ৪০ হাজার টাকা থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়।
- সেখানে একজন ক্লিনারের বেতন ন্যূনতম প্রায় ৪০ হাজার টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকা
- একজন কৃষকের বেতন ন্যূনতম প্রায় ৫০ হাজার টাকা থেকে ৭০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন কাজের ক্ষেত্রে বেতন:
- আর্মেনিয়াতে একজন ডাক্তারের বেতন ন্যূনতম প্রায় ১ লক্ষ টাকা থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- একজন সফটওয়্যার ডেভেলপারের বেতন ন্যূনতম প্রায় ১ লক্ষ টাকা থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার উপরে।
- একজন শিক্ষকের বেতন ন্যূনতম প্রায় ৯০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
আর্মেনিয়া যেতে কত টাকা লাগে
আর্মেনিয়াতে কাজের ভিসায় বাংলাদেশ থেকে যেতে হলে ভিসা প্রসেসিং এবং অন্যান্য খরচ সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। আর্মেনিয়া ভ্রমণের জন্য শুধুমাত্র বিমান ভাড়াতেই সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ প্রায় ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
আপনি যদি সরকারি এজেন্সির মাধ্যমে আর্মেনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসার আবেদন করেন, তাহলে মোট খরচ ৩ লক্ষ টাকা থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। অপরদিকে, বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে আর্মেনিয়া যেতে চাইলে খরচ ৫ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
তবে একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে আপনাকে বিশ্বস্ত কোনো এজেন্সির মাধ্যমেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। কোনো দালালের মাধ্যমে আর্মেনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা করানো উচিত নয়, কারণ এর ফলে আপনার সময় ও অর্থ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
আর্মেনিয়া কাজের ভিসা ২০২৬
বর্তমানে বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে আর্মেনিয়ার কাজের ভিসা তৈরি করতে সর্বনিম্ন প্রায় ৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ প্রায় ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। আর্মেনিয়াতে আপনার বেতন কত হবে, তা অনেকটাই কাজের ভিসার ধরনের উপর নির্ভর করে।
আর্মেনিয়ার কাজের ভিসা তৈরির প্রক্রিয়ার শুরুতে নিয়োগকর্তার কাছ থেকে কাজের অফার লেটার প্রয়োজন হয়। এরপর, নিয়োগকর্তার মাধ্যমে আর্মেনিয়ার মাইগ্রেশন সার্ভিসে কাজের অনুমতি বা ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করতে হয়। এই কাজের অনুমতি বা ওয়ার্ক পারমিট পেয়ে গেলেই আপনি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আর্মেনিয়া থেকে সরাসরি বাংলাদেশীদের জন্য কাজের ভিসা সাধারণত দেওয়া হয় না। তাই, যদি বাংলাদেশ থেকে আর্মেনিয়া যেতে হয়, তবে প্রথম অবস্থায় আপনাকে ওয়ার্ক পারমিট বা রেসিডেন্সি ভিসা নিতে হবে।
তবে এই প্রক্রিয়ার কিছু ধাপ রয়েছে, যা জানা আবশ্যক। প্রথমত, আপনাকে আর্মেনিয়ার কোনো কোম্পানি থেকে একটি চাকরির অফার লেটার জোগাড় করতে হবে। এরপরেই সেই কোম্পানি আপনার ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করবে।
আর্মেনিয়াতে কাজের ভিসা পেতে হলে, আপনাকে প্রথমে ওয়ার্ক পারমিট নিতে হবে। এই পারমিটটি হাতে পেলে, আপনি আর্মেনিয়া রেসিডেন্সি ভিসার জন্য আবেদন করার যোগ্য হবেন।
আপনার নিয়োগকর্তার কাছ থেকে অফার লেটার পাওয়ার পরে কাজের ভিসার আবেদনের জন্য আপনার যে যে ডকুমেন্টগুলো প্রস্তুত রাখতে হবে, তার একটি বিস্তারিত তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
- বৈধ পাসপোর্ট: আপনার একটি সক্রিয় পাসপোর্ট থাকতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে পাসপোর্টের মেয়াদ যেন আবেদন করার সময় থেকে কমপক্ষে ছয় মাস অবশিষ্ট থাকে। ( অনলাইনে ই পাসপোর্ট করার নিয়ম )
- শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট: আপনার সমস্ত শিক্ষা সংক্রান্ত সনদপত্র লাগবে। বিশেষ করে খেয়াল রাখবেন, এই ডকুমেন্টগুলি যদি ইংরেজিতে না থাকে, তবে তা অবশ্যই ইংরেজিতে অনুবাদ করা থাকতে হবে।
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট: ভিসা আবেদনকারী হিসেবে আপনার অবশ্যই একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে, যা আপনার পূর্বের কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই তা প্রমাণ করে।
- মেডিকেল সার্টিফিকেট: সুস্থতার প্রমাণ হিসেবে আপনার একটি চিকিৎসা সনদ বা মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং স্টেটমেন্ট: আপনার নিজের নামে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে এবং সেই অ্যাকাউন্টের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ভিসার আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে, যা আপনার আর্থিক সক্ষমতা প্রমাণ করে।
- পাসপোর্ট সাইজের ছবি: আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আপনার সাম্প্রতিক তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে।
এই ডকুমেন্টগুলো যদি আপনার কাছে প্রস্তুত থাকে, তাহলে আপনি কোনো এজেন্সির মাধ্যমে অথবা ভারতে অবস্থিত আর্মেনিয়ার দূতাবাসে গিয়ে আপনার ভিসার জন্য খুব সহজেই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন।
আর্মেনিয়ার ভিসা পেতে কত সময় লাগে?
বাংলাদেশ থেকে আর্মেনিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে সাধারণত ১ থেকে ২ মাসের মতো সময় লাগতে পারে। তবে এই সময়সীমা কিছুটা কম বা বেশি হতে পারে। মূলত আপনি কোন মাধ্যম ব্যবহার করে ভিসার জন্য আবেদন করছেন, তার ওপর এটি নির্ভর করে।
যেহেতু আর্মেনিয়ার কোনো দূতাবাস বাংলাদেশে নেই এবং দূতাবাসটি ভারতে অবস্থিত, তাই বাংলাদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে একটু বেশি সময় লাগে। তবে প্রক্রিয়াটি যত দেরিই হোক না কেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনি চার থেকে আট সপ্তাহের মধ্যে আপনার ভিসা হাতে পেয়ে যাবেন বলে আশা করা যায়।
আর্মেনিয়ায় কি কি কাজ করা যায়?
আর্মেনিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ রয়েছে। এই সুযোগগুলোর মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট কাজ বিশেষভাবে জনপ্রিয়, যেমন:
- আইটি এবং টেক সেক্টরের কাজ
- নির্মাণ শিল্পে কাজ
- ড্রাইভিং এর কাজ
- ক্লিনিং এর কাজ
- পোশাক কারখানায় কাজ
- কৃষি কাজ
- রেস্টুরেন্ট বা হোটেল শিল্পে কাজ
- বিভিন্ন উৎপাদন শিল্পে শ্রমিকের কাজ
আর্মেনিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি
আর্মেনিয়ায় বর্তমানে বেশ কিছু পেশার চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে। প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে, সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ, ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং ওয়েব ডিজাইনারদের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ক্ষেত্রগুলোতে কাজের সুযোগ বাড়ছে।
শিক্ষা খাতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মীর চাহিদা রয়েছে। এখানে শিক্ষক-শিক্ষিকা, প্রাইভেট টিচার এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ প্রচুর। সাধারণ কাজের ক্ষেত্রে, বিভিন্ন ধরনের শ্রমিকের চাহিদা লক্ষণীয়।
বিশেষ করে নির্মাণ শ্রমিক এবং ইলেকট্রিশিয়ানদের মতো কারিগরি পেশাজীবীরা ভালো সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি, পর্যটন শিল্পের বিকাশের কারণে ট্যুর গাইড, এবং আতিথেয়তা শিল্পে রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে স্টাফদের মতো কর্মীদের চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও, মেকানিকদের প্রয়োজনীয়তাও তুলনামূলকভাবে বেশি।
উপরোক্ত চাহিদার পাশাপাশি, আর্মেনিয়ায় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শ্রমিকদের গুরুত্ব ও চাহিদা বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়। এই অভিজ্ঞ কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় কাজের ক্ষেত্রে অন্যান্য কাজের তুলনায় বেতনও বেশি প্রদান করা হয়, যা এই বিশেষায়িত পেশাগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
আর্মেনিয়া টাকার মান ২০২৬
আর্মেনিয়া ভ্রমণে ইচ্ছুক বা সেখান থেকে টাকা পাঠানোর কথা ভাবছেন এমন বন্ধুদের জন্য ২০২৬ সালের বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী একটি ধারণা দিচ্ছি। তবে মনে রাখবেন, মুদ্রার মান প্রতিদিন শেয়ার বাজারের মতো ওঠানামা করে।
আর্মেনিয়ার মুদ্রার নাম হলো আর্মেনিয়ান ড্রাম। ২০২৬ সালের বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মুদ্রা বিনিময় হারের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশি টাকার সাথে এর একটি তুলনামূলক হিসাব নিচে দেওয়া হলো।
বর্তমানে ১ আর্মেনিয়ান ড্রাম বাংলাদেশের প্রায় ০.৩৪ টাকা (৩৪ পয়সা)। অর্থাৎ, ১ টাকা হতে গেলে আপনার কাছে প্রায় ৩টি আর্মেনিয়ান ড্রাম থাকতে হবে।
- ১ আর্মেনিয়ান ড্রাম সমান ০.৩৪ টাকা (৩৪ পয়সা)
- ৫ আর্মেনিয়ান ড্রাম সমান ১৭ টাকা
- ২০ আর্মেনিয়ান ড্রাম সমান ৩৪ টাকা
- ৫০ আর্মেনিয়ান ড্রাম সমান ১৭০ টাকা
- ১০০ আর্মেনিয়ান ড্রাম সমান ৩৪০ টাকা
FAQs
আর্মেনিয়া ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা?
আর্মেনিয়ার ১ ড্রাম সমান ০.৩২ বাংলাদেশি টাকা
আর্মেনিয়া যেতে কত বয়স লাগে?
আর্মেনিয়ায় কাজের ভিসার জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে সাধারণত ১৮ থেকে ৫৫ বছর বয়সী ব্যক্তিরা যোগ্য বলে বিবেচিত হন। তবে, কিছু নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে, যেমন ড্রাইভিং, ন্যূনতম বয়সসীমা ২১ বছর হতে পারে।
আর্মেনিয়া যেতে কত সময় লাগে?
বাংলাদেশ থেকে আর্মেনিয়ার উদ্দেশ্যে বিমানে ভ্রমণ করতে সাধারণত ট্রানজিট সময় সহ মোট ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
লেখকের শেষকথা
আর্মেনিয়ায় যেতে চাইলে আগে থেকেই সঠিক পরিকল্পনা ও তথ্য সংগ্রহ করুন। বৈধ উপায়ে ই-ভিসা বা দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করুন এবং প্রতারণা এড়িয়ে নিরাপদ বিদেশযাত্রা নিশ্চিত করুন। ধন্যবাদ।
